কক্সবাজার প্রতিনিধি
কক্সবাজারের টেকনাফ সাগর উপকূলে অভিযান চালিয়ে পাঁচজন পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ২৬ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ১৭ জন পুরুষ, চারজন নারী ও পাঁচজন শিশু।
আটক পাচারকারীরা হলেন, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়ার নুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সাবেকুন নাহার, সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের আব্দুর রহিম, জাহেদ হোসেন এবং উখিয়া কুতুপালং তিন নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা জাহেদ হোসেন।
গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহেষখালীয়া পাড়ার শফিকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফ উপকূল দিয়ে সাগরপথে লোকজনকে বিভিন্ন দেশে পাঠানোর তথ্য ছিল পুলিশের কাছে। গত বুধবার রাতে টেকনাফ মডেল থানার ওসি আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ২৬ জন রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাঁচ পাচারকারীকে আটক করে পুলিশ।
এর পাশাপাশি যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় র্যাবের ইন্টেলিজেন্সের সদস্যরা পুরো ময়দান জুড়ে কড়া নজরদারি থাকবে। প্রতিটি খিত্তায় বিশেষ টুপি পরিহিত ও সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সদস্যরা অবস্থান করবেন। তারা কোনো প্রকার সন্ত্রাসী তৎপরতার ইঙ্গিত পেলে বিশেষ সংকেতের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তৎক্ষণিক অবহিত করবেন। আকাশপথ, স্থলপথ, নৌপথ ও রেলপথ কঠোর নজরধারীর আওতায় থাকবে। আকাশ পথে টহল দিবে র্যাবের হেলিকপ্টার।
জিএমপি কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার ও রুফটপ থেকে পুরো ইজতেমা ময়দানের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া বিশেষায়িত টিমসহ প্রতিটি খিত্তায় সাদা পোশাকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। অগ্নিনির্বাপণের জন্য প্রতি খিত্তায় এবার দুটি করে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র রাখা হবে। তুরাগে নৌ টহল থাকবে।
তিনি আরো জানান, বিশ্বইজতেমা ময়দান ও আশপাশে ১৪টি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ রয়েছে পুলিশের। র্যাবের হেলিকপ্টারে টহল থাকবে। এ ছাড়া ডগ স্কোয়াড টিম, মোবাইল পেট্রোল টিম, বোম ডিসপোজল টিম থাকবে।
ইজতেমার প্রথম পর্ব আগামীকাল শুরু হয়ে চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর একটানা চার দিন মুসল্লিদের আসা যাওয়া করার ক্ষেত্রে বিরতি দিয়ে এরপর ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় পর্ব। উভয় পর্বেই আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ইজতেমা আয়োজক কমিটি।
Leave a Reply